অভিশপ্ত ভালোবাসা
আজ ৩ দিন হয়ে গেল সুবন্যার সাথে ডিভোর্স হয়েছে হৃদয়ের। কোন যোগাযোগ নেই একজনের সাথে আরেকজনের। দুই জন দুই দিকে। অথচ এই দুই জনই এক সময় উত্তল সঙ্গমে কাটিয়েছে কতশত রাত। ৫ বছর এক সাথে থাকার পর কি যেন মনে হলো, সুবন্যা হৃদয়কে ছেড়ে চলে যায়। প্রেম করে বিয়ে করেছিলো হৃদয় আর সুবন্যা। শপথ করেছিলো এক সাথে থাকবে দুজন সারাজীবন। এক মেলায় প্রথম দেখে হৃদয় সুবন্যাকে। হৃদয় ঢাকা থেকে গ্রামে আসে ছুটিতে। দেখে ভালোলাগে সুবন্যাকে হৃদয়ের। তারপর হৃদয় সুবন্যাকে প্রোপোজ করে। গ্রামের মেয়ে সুবন্যা। প্রোপোজে সুবন্যাা রাজি হয়। হৃদয় একটা দোকানের সেলসম্যান হিসেবে কাজ করতো। আর সুবন্যাা ইন্টার ফাস্ট ইয়ারে পড়তো। ওদের ফ্যামিলি অবস্থাও সুবিধার ছিলোনা। তাই সুবন্যার সাথে হৃদয়েরর বিয়ে দিয়ে দেয় সুবন্যার বাবা-মা। দুই জনে একটা ছোট বাসা নিয়ে থাকতে শুরু করে ঢাকা শহরে। ছোট বেলা থেকে স্বপ্ন ছিলো সুবন্যা ডাক্তার হবে। আর হৃদয়ও সুবন্যাকে অনেক ভালোবাসতো তাই হৃদয় সুবন্যাকে নিজে কষ্ট করে হলেও পড়াতে থাকে। ইন্টারে সেকেন্ড ইয়ারে পড়ছিলো সুবন্যা। হৃদয় সুবন্যাকে কোচিং সেন্টারে ভর্তি করে দেয় Hsc তে ভালো রেজাল্ট করার জন্য। ভালো রেজাল্ট করত...