Posts

Showing posts from April, 2018

রাত ৩টা বেজে ৪৫ মিনিট

Image
মোঃ শহীদ হোসেন হৃদয়:-  হঠাৎ ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো, ডিপ লাইটের আলোয় আবসা দেখা যাচ্ছে না। প্রথমে জানালাটা বন্ধ করে দিলো। ঘড়িতে কয়টা বাজে ভাল করে দেখা যাচ্ছে না তাই লাইট জ্বালিয়ে দেখলো রাসেল, রাত ০৩ টা ৫৫ মিনিট। আজ রাসেল একা বাসায়। বাসার সবাই গ্রামের বাড়ীতে বেড়াতে গিয়েছে। রাসেল এবার এস,এস,সি দেবে ঢাকা কলেজ থেকে। লেখাপড়ার চাপ তাই গ্রামের বাড়ীতে যাওয়া হয়নি। আজ রাত ১ টায় বই এর পাতায় থেকে চোখ সরিয়ে ঘুমিয়ে গিয়েছিলো। রান্না ঘরে গিয়ে পানি পান করলো।বাথরুম সেরে আবার ঘুমাতে যাবে, তখনই খেয়াল করলো তার ছাদের ফ্যানে কলেজ বন্ধু রাহুল ঝুলতেছে গলায় ফাঁস লাগানো। রাসেল বসে পড়লো এই কি হলো রাহুল এখানে আর ফাঁস কেন লাগালো? কখন লাগালো বা কেন লাগালো? এই সব ভাবার সময়ও যেন পাচ্ছে না,  কি করবে ভাবতে পারছেনা। রাহুলের পা ধরে উপরের দিকে ধরে রাখার চেষ্টা করতেছে, আর চিৎকার করতে লাগলো বাসায় কেউ নেই তাই তার শব্দ কেউ শুনতে পারছে না। গলা শুকিয়ে গেছে। অনুভব করলো রাহুল আর বেঁচে নেই। বাসায় একা সে,  কি করবে!  কোনো রকমে চেয়ারের উপর উঠে রাহুলের গলা থেকে রশিটা খুলতেই রাহুল নিচে পরে গেলো। রাসেল পাশে বসে দেখতেছ...

শুভ জন্মদিন সুবন্যা

Image
ভোরের আলোয় দেখছো তুমি নতুন এক সকাল, একরাশ সাদা গোলাপের শুভেচ্ছা রবে ভালবাসা চিরকাল। মনে কর উনিশ বছর পূর্বে, ছিলে তুমি মাতৃগর্ভে। রক্ত-মাংস আহার করে, ভূমিষ্ঠ হলে এই মর্তে। আকাশে সাদা মেঘের আনাগোনা, সবুজ-শ্যামলে কিছু স্বপ্ন বোনা। পাখির কন্ঠে হাজার সুরের মেলা, আগমন তোমার ভাসিয়ে সুখের ভেলা। এসেছিলে তুমি সেদিন,ব্যস্ত এই ভূবনে, জীবনের শুরুটাও করেছিলে এ দিনে। সেই থেকে আজও চলেছো যুগের তালে, সর্বদা থাকো তুমি সু-খেয়ালে। জীবনের ডায়রীতে কিছু রেখ তুলে, সেদিনের কিছু কথা গেলাম আমি বলে। ভুলবশত, ভুলবো না কোনোদিন, সুবন্যা, আজ তোমার শুভ জন্মদিন। [ কবিতাটি আমার প্রিয়তম সুবন্যাকে উৎসর্গ করে লেখা। তার জন্ম তারিখ ২৫/০৪/১৯৯৯]

বৈশাখী রঙ

Image
হে বৈশাখ আবার তুমি ফিরে এলে, অনেক সে প্রতীক্ষার পর। পুরাতন বছরের স্মৃতিগুলো ফেলে, কি দেবে এবার মনোহর ? বৈশাখী রঙের কত না শাড়ীর ভিড়ে, বাজছে কত কাঁচের চুড়ি; কৃষ্ণচূড়া লালে চারিদিক শুধু লাল, সর্বত্র উল্লাসে গেছে ভরি।   নাচে গায় বৈশাখী রঙে পরীর দল, হাতে বৈশাখীর ফুল ঢালা; ভুবন মাতানো সুরে নাচে ধরাতল, তোমার গলায় পড়াবে মালা। সকলের মনে আজ যে দারুণ হর্ষ, শুভ হোক নতুন বছর; পৃথিবীর কোন প্রাণ,না হোক বিমর্ষ, সুখী হতে প্রতিটা প্রহর। বাংলার গ্রামে গঞ্জে শহরে বন্দরে, হচ্ছে আজ বৈশাখী মেলা; লাখো মানুষের ঢল,শুধু চোখে পড়ে, নাচ গান আর কত শিল্প কলা। মেলাতে মিলে কচিদের কত খেলনা, রঙিন তালের হাত পাখা; গ্রাম বাংলার নানা মিষ্টান্ন কত না, হয় কোলাকুলি স্নেহ মাখা। পাগলা বাতাসের দোলায় চারিদিক, আনন্দ প্লাবণে যায় ভাসি; ইলিশ আর পান্তা খাওয়ার হিড়িক, মুখে সবার অঢেল হাসি। হে বৈশাখ,দিয়ো না আজ ঝড়ের হাঁক, ঢেলে দাও সর্বত্র প্রেম; মৃদু হাসিতে দুষ্টুমি মাখা দুটো আঁখি, তুমিই প্রিয়, তুমি সর্বোত্তম।

রুপসী সুবন্যা

Image
হাজার রমনীর ভিড়ে, তুমি এক অনন্যা। শত সুন্দরীর ভিড়ে তুমি রূপসী হে সুবন্যা। তোমার মুখ ভার হলে, আকাশে জমে মেঘ। তোমার চোখে জল এলে, ঝড়ে পরে আবেগ। সূর্য ভুলে যায় তেজ, দেখে তোমার হাসি। রৌদ্র হয়ে যায় মলিন, যখন থাকো খুশি। স্বপ্ন বুনে যায় চাঁদ, তোমার টানা চোখে। ভালোবাসা মায়ার ফাঁদ , পাগল করা মুখে। ভালোলাগা আছে যত, ঠোটের বাঁকে দোলে। পৃথিবী থমকে যায়, গোমড়া তুমি হলে।